• রোববার ১৪ জুলাই ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ২৯ ১৪৩১

  • || ০৬ মুহররম ১৪৪৬

কালের সাক্ষী দিনাজপুরের এক গম্বুজ মসজিদ

প্রকাশিত: ১৫ নভেম্বর ২০২৩  

 
৪০০ বছর আগে মুঘল আমলে নির্মিত এক গম্বুজ নিয়ে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে দিনাজপুরের একটি মসজিদ। তবে এটি সংস্কারের পর প্রাচীন সেই কারুকার্য আর নেই। এখন সেখানে নামাজ না হলেও মসজিদের সামনে ফাঁকা মাঠে দুই ঈদের ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

মসজিদকে ঘিরে অনেক পৌর কাহিনী রয়েছে। এখন মসজিদটি পরিচালিত হয়ে আসছে বংশ পরম্পরায়। মসজিদের ভেতরে দুই সারিতে ৪/৫ জন নামাজ আদায় করতে পারবেন।

বিভিন্ন গাছের মাঝে তৎকালীন ব্যক্তিগতভাবে নির্মিত মসজিদের ফলক থেকে জানা যায়, এটি স্থাপিত সন-১০১০ বাংলা এবং ১৬০৪ খ্রিস্টাব্দে। সংস্কার সন-২০১১ খ্রিস্টাব্দে। তবে ফলকটিও সংস্কার করা। দিনাজপুরের বীরগঞ্জ শহর থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে ভোগনগর ইউনিয়নের ভাবকী গ্রামে সড়ক পথে যাওয়া যায়। অনেকের কাছে এই মসজিদ সম্পর্কে জানার আগ্রহ লক্ষণীয়। কিন্তু এ বিষয়ে তেমনভাবে কেউ জানেন না বলছেন।

স্থানীয়রা মনে করেন, এই মসজিদটিই হয়তো বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট মসজিদ। দেশের কোথাও এত ছোট প্রাচীন মসজিদ আছে বলে জানা নেই।

স্থানীয় বৃদ্ধ তফিজুল আলম জানান, এটি আমরা ছোট থেকে দেখে আসছি। তবে ছোট হওয়ায় মসজিদে আর নামাজ আদায় করা হয় না। কিন্তু এক সময় এখানে নামাজ আদায় করতেন যারা প্রতিষ্ঠা করেছেন। তবে মসজিদের সামনের ফাঁকা মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করে এই এলাকার মানুষ।

তিনি আরও জানান, আমার বংশধরদের একজন ব্যক্তিগতভাবে এই মসজিদ নির্মাণ করেন। তিনি এমাম পীর নামে খ্যাত ছিলেন। মসজিদটি ভেঙে যায়। পরে এটি সংস্কার করা হয়েছে। প্রতি বছরে রক্ষণাবেক্ষণ করে নতুনত্ব বজায় রাখার চেষ্টাও করা হয়। মসজিটি ৫ বিঘা জমির উপর দাঁড়িয়ে আছে। এর মধ্যে মসজিদের পাশে প্রাচীন একটি কবর রয়েছে এবং পেছনে একটি বড় পুকুর আছে। ২০১১ সালে সংস্কার করা হয়েছে মসজিদটি।

– দিনাজপুর দর্পণ নিউজ ডেস্ক –