• মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৪ ১৪৩১

  • || ১৯ জ্বিলকদ ১৪৪৫

ঘোড়াঘাটে প্রকৃতি সেজেছে কৃষ্ণচূড়ার রঙে

প্রকাশিত: ১৫ মে ২০২৪  

গ্রীষ্মের শুরুতেই দাবদাহের মধ্যেই প্রকৃতি তার আপন মহিমায় সেজে উঠেছে। চৈতালি হাওয়ার ঝাপটায় পাতা ঝরে যাওয়া কৃষ্ণচূড়ার শাখা গ্রীষ্মের শুরুতেই অজস্র রঙিন ফুলে ভরে উঠেছে। প্রখর রৌদ্রদীপ্তে এই বিপুল বর্ণবৈভব চোখে প্রায় ঘোর লাগিয়ে দেয়। দিনে দিনে গুচ্ছগুচ্ছ ফুলের চারপাশ দিয়ে সবুজ পাতারা ফুলগুলোকে যেন সযতনে রচিত স্তবকে পরিণত করে তুলেছে। চলতি পথে আপনা থেকেই পথিকের দৃষ্টি চলে যায় সেদিকে। অনাবিল আনন্দের অনুভূতি মনকে প্রশান্ত করে।

যার আভা পথচারী থেকে শুরু করে নাগরিক সমাজ, কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী মনে দোলা দেয়। গ্রামের মেঠোপথ, সবুজ প্রান্তর, দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার মারিয়ামপুর আবিরেরপাড়া সেন্ট জন মেরী ভিয়ান্নী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে সমগ্র এলাকায় হলদে আভা ছড়িয়ে প্রকৃতিকে করেছে নয়নাভিরাম। যা উপজেলাবাসীদের হৃদয়-মন কেড়ে নিয়েছে। প্রতিদিনই সকাল-বিকেলে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, যুবক-যুবতি এর সৌন্দর্য উপভোগে মেতে উঠে।

কৃষ্ণচূড়ার বৈজ্ঞানিক নাম ডেলোনিক্স রেজিয়া। এর আদি নিবাস আফ্রিকার মাদাগাস্কার। ১৮২৪ সালে সেখান থেকে প্রথম মুরিটাস, পরে ইংল্যান্ড এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বিস্তার ঘটে। এখন জন্মে আমেরিকা, ক্যারাবিয়ান অঞ্চল, হংকং, তাইওয়ান, দক্ষিণ চীন, ভারতসহ বিশ্বের বহু দেশে। ধারণা করা হয়, কৃষ্ণচূড়া ভারত উপমহাদেশে এসেছে ৩শ’ থেকে ৪শ’ বছর আগে। তবে ফুলের নাম কী করে কৃষ্ণচূড়া হলো সে সম্পর্কে ধুম্রজাল রয়েছে।

ঘোড়াঘাট উপজেলা বন কর্মকর্তা ফশিউল আলম জানান, কৃষ্ণচূড়া শোভাবর্ধনকারী বৃক্ষ, পাখিদের আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে, জলবায়ু পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ও মাটি ক্ষয়রোধ করে থাকে। আমরা বন বিভাগের পক্ষ থেকে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কৃষ্ণচূড়ার গাছ শোভাবর্ধনের জন্য লাগিয়ে থাকি।

– দিনাজপুর দর্পণ নিউজ ডেস্ক –