ব্রেকিং:
রংপুর প্রেস ক্লাবের দ্বি-বার্ষিক (২০২১-২০২৩) নির্বাচনে সভাপতি পদে দৈনিক যুগান্তরের রংপুর ব্যুরো প্রধান মাহাবুব রহমান হাবু ও সাধারণ সম্পাদক পদে মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার রফিকুল ইসলাম সরকার বিজয়ী হয়েছেন।
  • সোমবার   ০২ আগস্ট ২০২১ ||

  • শ্রাবণ ১৭ ১৪২৮

  • || ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

সর্বশেষ:
শোকাবহ আগস্ট: বাঙালির শোকের মাস শুরু পোশাক কারখানা খুলছে আজ, যে ১৫ শর্ত মানতে হবে মালিকদের গ্রামে আটকে পড়া পোশাক শ্রমিকদের চাকরি যাবে না গণটিকা কার্যক্রম সফল করতে সবাই টিকা নিন লালমনিরহাটে বাড়ি-বাড়ি গিয়ে খাদ্য সহায়তা বিতরণ

ছাগলের ওজন ৮০ কেজি, দাম লাখ টাকা

প্রকাশিত: ২৭ জুন ২০২১  

নীলফামারীতে বাণিজ্যিকভাবে পালন করা হচ্ছে নতুন জাতের কাশ্মীরি ছাগল। এই জাতের ছাগল উচ্চতায় অনেক বড় হয়। প্রাপ্তবয়স্ক একটি ছাগলের ওজন হয় ৭০-৮০ কেজি। প্রতিটি ছাগল বিক্রিও হয় লাখ টাকা।

জেলার ডোমার উপজেলার হরিণচড়া ইউনিয়নের যুবক রতন চক্রবর্তী (৩৪) প্রাথমিকভাবে এ জাতের আটটি ছাগল দিয়ে খামার শুরু করেছেন। যদিও এর আগে তিনি দেশীয় জাতের ছাগল পালন করেছেন।

রতন চক্রবর্তী জানান, ২০১৩ সালে সৈয়দপুরের ঐতিহ্যবাহী ঢেলাপীর হাটে ৮০ কেজি ওজনের একটি ছাগল তার নজর কাড়ে। টাকার অভাবে সেদিন তিনি পছন্দের ছাগলটা কিনতে পারেননি। ওই বছরেই নিজের জমানো ৩৮ হাজার টাকা দিয়ে এক মণ ওজনের একটি কাশ্মীরি জাতের ছাগল কেনেন। ধীরে ধীরে দেশি জাতের ছাগল বিক্রি করে বাড়াতে থাকেন কাশ্মীরি জাতের ছাগল। শখের বশে শুরু করলেও এখন তিনি বাণিজ্যিকভাবে কাশ্মীরি জাতের ছাগল পালন করছেন।
 
তিনি আরও জানান, এ জাতের ছাগল বাণিজ্যিকভাবে চাষে বড় সমস্যা হলো প্রজনন প্রক্রিয়া। সৈয়দপুর গিয়ে পুরুষ ছাগলের বীজ দিতে হয়। এখন তিনি নিজেই পুরুষ ছাগল সংগ্রহ করে পালন করার উদ্যোগ নিয়েছেন। একটি ছাগল এক সঙ্গে দুটি বাচ্চা দেয়। মা ছাগল এক সঙ্গে দুই থেকে আড়াই কেজির মতো দুধ দেয়। 

তিনি জানান, গত কুরবানীর ঈদে তিনি ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকায় দুটি ছাগল বিক্রি করেছেন। একটি ছাগলের ওজন ছিল ৮২ কেজি এবং আরেকটির ওজন ৭৫ কেজি ছিল। ঢাকা থেকে ক্রেতা এসে তার বাড়ি থেকে ছাগল দুটি কিনে নিয়ে যায়। এবার ঈদে বিক্রির জন্য তিনি চারটি ছাগল পালন করেছেন। 

কাশ্মীরি জাতের ছাগলের ভূষি, ভুট্টার গাছ খুব পছন্দ। উঁচু স্থান তথা চৌকির ওপর আরামে ঘুমায় এ জাতের ছাগল। আক্রমণাত্মক হওয়ায় সবসময় বেঁধে রাখতে হয়। ছাড়া পেলেই মানুষের খেত একবারেই নষ্ট করে দেয়। বড় ধরনের কোনো অসুখ না হলেও অসুখ লেগেই থাকে। জ্বর ও ক্ষুদামন্দা বেশি হয়। ওষুধ দিলেই আবার অল্প সময়ের মধ্যে সুস্থও হয়ে উঠে। 

ডোমার উপজেলার হরিণচড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলাম বলেন, এত বড় ছাগল আমি আগে কখনো দেখিনি। ছাগলগুলো দেখতে রতনের বাড়িতে অনেকেই যায়। কাশ্মীরি জাতের ছাগল পালন লাভজনক হওয়ায় এই অঞ্চলের তরুণ উদ্যোক্তারা উৎসাহ পাবে।

ডোমার উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মোজাম্মেল হক জানান, কাশ্মীরি জাতের ছাগলগুলো অনেক বেশি ওজনের হয়। খামারি রতন ছাগলগুলোর অসুখ হলে আমাদের কাছে নিয়ে আসেন। আমরা চিকিৎসা দেই। পিপিআই না হলে শুধু জ্বর, ক্ষুদামন্দা তেমন একটা প্রভাব ফেলতে পারে না।

– দিনাজপুর দর্পণ নিউজ ডেস্ক –