ব্রেকিং:
রংপুর প্রেস ক্লাবের দ্বি-বার্ষিক (২০২১-২০২৩) নির্বাচনে সভাপতি পদে দৈনিক যুগান্তরের রংপুর ব্যুরো প্রধান মাহাবুব রহমান হাবু ও সাধারণ সম্পাদক পদে মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার রফিকুল ইসলাম সরকার বিজয়ী হয়েছেন।
  • সোমবার   ০২ আগস্ট ২০২১ ||

  • শ্রাবণ ১৭ ১৪২৮

  • || ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

সর্বশেষ:
শোকাবহ আগস্ট: বাঙালির শোকের মাস শুরু পোশাক কারখানা খুলছে আজ, যে ১৫ শর্ত মানতে হবে মালিকদের গ্রামে আটকে পড়া পোশাক শ্রমিকদের চাকরি যাবে না গণটিকা কার্যক্রম সফল করতে সবাই টিকা নিন লালমনিরহাটে বাড়ি-বাড়ি গিয়ে খাদ্য সহায়তা বিতরণ

দিনাজপুরে বাড়ছে জ্বর ও সর্দিতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা 

প্রকাশিত: ২৪ জুন ২০২১  

দিনাজপুরের বিভিন্ন গ্রামের প্রায় ঘরে ঘরে শুরু হয়েছে জ্বর, সর্দি। অনেকে বাড়িতেই গ্রাম্য চিকিৎসক দ্বারাই চিকিৎসা নিচ্ছেন। এসব রোগীর অনেকে জ্বর, সর্দিসহ করোনার উপসর্গ নিয়ে প্রতিদিনই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হচ্ছেন।

এতে রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলা হাসপাতালেও জায়গা হচ্ছে না। আবার এসব গ্রামের অনেকে করোনার পরীক্ষাও করাতে চান না। আর এই পরীক্ষা না করার কারণে প্রচণ্ড ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে ওইসব এলাকার মানুষ-এমনই বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, দিনাজপুরের বিরামপুরের সীমান্ত ঘেঁষা কয়েক গ্রামের প্রায় ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়েছে জ্বর, সর্দি রোগী। গ্রামের মানুষের মধ্যে করোনা পরীক্ষা করার প্রবণতাও কম। গ্রামগুলোর মধ্যে দক্ষিণ দাউদপুর, গোবিন্দপুর, কাজিপাড়া, দক্ষিণ দামোদরপুর, খিয়ারমামুদপুর, উত্তর দাউদপুর, দক্ষিণ রামচন্দ্রপুর এলাকা অন্যতম।

আবার বীরগঞ্জের সুজালপুরসহ কয়েক এলাকায়ও একই অবস্থা। খানসামা উপজেলাতেও এসব রোগী বৃদ্ধি পাওয়ায় হাসপাতালের বেড ভরে গেছে। এসব এলাকার মানুষ স্থানীয় বাজারের পল্লী চিকিৎকদের কাছ থেকে ওষুধ নিয়ে খাচ্ছেন।

এদিকে, করোনা ভাইরাসের লাগাম টেনে ধরতে বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিমল কুমার সরকার বুধবার সন্ধ্যায় বিরামপুরের বিভিন্নস্থানে আটজনকে মাস্ক না পরার অপরাধে জরিমানাও করেছেন।

বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার শ্যামল কুমার রায় বলেন, দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আরটি পিসিআর ল্যাবে করোনা পরীক্ষার জন্য ৮২টি নমুনা পাঠানো হয়। তাদের মধ্যে একদিনেই বিরামপুরে ৪২ জনের শরীরে করোনার উপস্থিতি পাওয়া যায়।

তিনি আরও বলেন, বিরামপুর উপজেলায় প্রায় ঘরে ঘরে জ্বর, সর্দি ছড়িয়ে পড়ছে। সেই মানুষগুলো সঠিক সময়ে করোনা পরীক্ষাও করাচ্ছেন না। ফলে করোনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

– দিনাজপুর দর্পণ নিউজ ডেস্ক –