ব্রেকিং:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মানে আমৃত্যু কারাবাস- আপিল বিভাগের এমন রায় ‘অসামঞ্জস্যপূর্ণ’ দাবি করে আসামি পক্ষের পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদনের রায় ঘোষণা করা হয়েছে। রায়ে যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাবাস রেখেই আপিল বিভাগ এই চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন। তবে প্রেক্ষাপট বিবেচনায় আদালত চাইলে ৩০ বছর কারাদণ্ড দিতে পারেন।
  • বুধবার   ০২ ডিসেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৮ ১৪২৭

  • || ১৬ রবিউস সানি ১৪৪২

সর্বশেষ:
মহান বিজয়ের মাস শুরু ‘মৌলবাদীদের হাতে ভাস্কর্য থাকা না থাকার ইজারা দেয়নি জনগণ’ বিজয়ের মাসে অপশক্তির আস্ফালন রুখতেই হবে রাজনীতিতে ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে বিএনপি আপিল বিভাগের চূড়ান্ত রায়, যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাবাস

দেশের সব অবৈধ মোবাইল বন্ধ হবে ২০২১ সালের এপ্রিলের মধ্যে

প্রকাশিত: ১০ নভেম্বর ২০২০  

দেশে সচল থাকা সব ধরনের অবৈধ মোবাইল বন্ধের সময়সীমার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। ২০২১ সালের এপ্রিলের মধ্যে এসব মোবাইল বন্ধ করা হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা নিতে সিনেসিস আইটি লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে চূড়ান্ত করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
বিটিআরসি জানায়, ২ ডিসেম্বরের মধ্যে মনোনীত প্রতিষ্ঠানকে এ বিষয়ে চুক্তি করতে হবে। চুক্তির পর থেকে চার মাসের মধ্যে পুরো সেবা চালু করতে হবে। সেই হিসেবে আগামী এপ্রিলের মধ্যেই অকার্যকর হবে অবৈধ মোবাইল সেট।

২০১২ সালে প্রথম দেশে অবৈধ মোবাইল ফোন সেট বন্ধের উদ্যোগ নেয় বিটিআরসি। এর প্রায় আট বছর পর চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার-এনইআইআর ব্যবস্থা চালু ও পরিচালনার জন্য দরপত্র আহ্বান করে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। এতে রিভ সিস্টেম, ডেটাএজ, ডিজিকন টেকনোলজিস ও সিনেসিস আইটি-এই চার প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এর মধ্যে মোট ৩০ কোটি টাকায় কাজ পায় সিনেসিস আইটি লিমিটেড। আগামী ২ ডিসেম্বরের মধ্যে জামানত জমা দিয়ে চুক্তি করতে হবে প্রতিষ্ঠানটিকে।

বিটিআরসি বলছে, ২০২০ সালের আগস্ট মাস নাগাদ প্রায় ১২ কোটি আইএমইআই নম্বর ডেটাবেইজে যুক্ত করা হয়েছে। এর বাইরে থাকা অবৈধ মোবাইল ফোন বন্ধের আগে নিবন্ধনের সুযোগ দেয়া হবে। তবে, সেক্ষেত্রেও রাখা হবে সীমাবদ্ধতা। অর্থাৎ একই ব্যক্তি হয়তো দু-একটা ফোন বৈধ করার সুযোগ পাবেন, একজন অনেক ফোন বিদেশ থেকে নিয়ে এলে তার ব্যাপারে কি ব্যবস্থা নেয়া হবে তা চূড়ান্ত করা হচ্ছে বলে জানান বিটিআরসির চেয়ারম্যান।

মোবাইল ফোন আমদানিকারকদের তথ্যমতে, বছরে তিন কোটি হ্যান্ডসেট আসে দেশে। এর মধ্যে অবৈধ পথে আসে ৩০-৩৫ শতাংশ, যার বাজার মূল্য প্রায় চার হাজার কোটি টাকা।

বিটিআরসির চেয়ারম্যান জহুরুল হক জানান, দেশে সচল থাকা কোন মোবাইলটি বৈধ সহজেই জানা যাবে। আর পুরো ব্যবস্থা চালু হবে এপ্রিলের মধ্যেই।

তিনি আরো জানান, একই ব্যক্তি হয়তো দু-একটা ফোন বৈধ করার সুযোগ পাবেন, একজন অনেক ফোন বিদেশ থেকে নিয়ে এলে তার ব্যাপারে কি ব্যবস্থা নেয়া হবে তাও চূড়ান্ত করা হচ্ছে।

– দিনাজপুর দর্পণ নিউজ ডেস্ক –