ব্রেকিং:
করোনায় আক্রান্ত হয়ে রংপুর বিভাগের কুড়িগ্রামে আরো একজনের মৃত্যু। রংপুর নগরীতে করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে জীবাণুনাশক স্প্রে করছে সিটি কর্পোরেশন।
  • বৃহস্পতিবার   ১৫ এপ্রিল ২০২১ ||

  • বৈশাখ ২ ১৪২৮

  • || ০২ রমজান ১৪৪২

সর্বশেষ:
রংপুর নগরীর শাপলা চত্বর এলাকায় র‌্যাব-১৩ এর উদ্যোগে করোনা সংক্রমণ রোধে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চলছে। করোনাভাইরাস সংক্রমণ মোকাবিলায় সারাদেশে দ্বিতীয় দিনের মতো সর্বাত্মক লকডাউন চলছে। প্রবাসী কর্মীদের জন্য বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করছে সরকার বসুন্ধরার হাসপাতাল ‘উধাও’ হয়নি, বণ্টন হয়েছে- স্বাস্থ্যের ডিজি রংপুরসহ দেশের তিন বিভাগ ও দুই জেলার একাধিক স্থানে কালবৈশাখী ঝড়ের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সর্বাত্মক লকডাউনের দ্বিতীয় দিনেও রংপুরে রাস্তার মোড়ে মোড়ে বসেছে পুলিশের চেকপোস্ট।

প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি:বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চালু হচ্ছে বন্ধ পাটকল

প্রকাশিত: ১ মার্চ ২০২১  

বন্ধ ঘোষিত পাটকলগুলো লিজের মাধ্যমে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চালুর সম্মতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন (বিজেএমসি) এর নিয়ন্ত্রণাধীন ওই মিলগুলো চালু করা সম্ভব হলে অবসায়নকৃত শ্রমিকদের মধ্যে অভিজ্ঞ ও দক্ষ শ্রমিকরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করার সুযোগ পাবে।

রবিবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠককে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। কমিটির সভাপতি মো. মুজিবুল হকের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান, শাজাহান খান, মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী ও শামসুন নাহার এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কমিটি সূত্র জানায়, আগের বৈঠকে বন্ধ হওয়া পাটকলগুলো পুনরায় চালু করার সুপারিশ করা হয়েছিল। ওই সুপারিশের অগ্রগতি অবহিত করতে গিয়ে বলা হয়েছে, বন্ধঘোষিত পাটকলগুলো বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় উৎপাদন কার্যক্রম পুনরায় চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। মিল চালুর জন্য লিজ বা ইজারা দেওয়ার ক্ষেত্রে অনুসরণীয় মৌলনীতি ও কর্মপরিকল্পনায় প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিয়েছেন। এসংক্রান্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। বৈঠকে মিলগুলো চালুর পাশাপাশি শ্রমিকদের পাওনাদি দ্রুত পরিশোধের লক্ষ্যে শ্রমিকদের করা অনিষ্পন্ন মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের ডিজিটাল প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয়। এ সময় কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর আধুনিকীকায়ণ ও শক্তিশালীকরণ এবং ১৩টি জেলার কার্যালয় স্থাপন প্রকল্পের মধ্যে ৬টি জেলার কাজ চলমান থাকায় কমিটি সন্তোষ প্রকাশ এবং বাকি ৭টি জেলায় কার্যালয় স্থাপনের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। এ ছাড়া উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের কার্যক্রম নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য কমিটি মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করা হয়।

– দিনাজপুর দর্পণ নিউজ ডেস্ক –