• বুধবার   ০২ ডিসেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৮ ১৪২৭

  • || ১৬ রবিউস সানি ১৪৪২

সর্বশেষ:
‘সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের শান্তি বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর’ কুড়িগ্রামে ট্রলিচাপায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নিহত ছদ্মবেশে সরকারি অফিস থেকে দালাল ধরলেন ম্যাজিস্ট্রেট ভঙ্গুর সাংগঠনিক অবস্থার কারণে নিশ্চিহ্নের পথে বিএনপি চীনা বা ভারতীয় ঋণের ফাঁদের গল্প তথ্যভিত্তিক নয়- পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধুর প্রকৃত খুনিদের খুঁজতে ‘ট্রুথ কমিশন’ গঠনের দাবি

প্রকাশিত: ১২ নভেম্বর ২০২০  

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রকৃত খুনিদের খুঁজে বের করতে ‘ট্রুথ কমিশন’ গঠনের দাবি জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী মুজিববর্ষ উপলক্ষে জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশনে আনা সাধারণ প্রস্তাবের ওপর আলোচনাকালে তিনি এ দাবি জানান। এর আগে সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতাকে শ্রদ্ধা জানাতে ১৪৭ বিধিতে সাধারণ প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ এক ও অভিন্ন উল্লেখ করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ‘যতদিন এই পতাকা, জাতীয় সংগীত, ভূখণ্ড থাকবে, ততদিন বঙ্গবন্ধু স্বমহিমায় ভাস্কর হয়ে থাকবেন। খুনিরা যথার্থই বুঝতে পেরেছিল, শুধু বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করলেই সফল হওয়া যাবে না। তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাংলাদেশকে হত্যা করা। তারা বুঝেছিল বঙ্গবন্ধুর রক্তের ছিটাফোঁটাও যদি থাকে, তাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াবে। এ কারণে শিশু রাসেলকে পর্যন্ত ক্ষমা করেনি, ফজিলাতুন্নেসাসহ কাউকেই রেহাই দেয়নি। সৌভাগ্যক্রমে শেখ হাসিনা ও রেহানা বেঁচে যান। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ শেষ করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।’

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশকে ব্যর্থ করে দিতে, বাঙালিরা যাতে স্বাধীনতার স্বাদ না পায়, স্বাধীনতার স্বপ্ন যাতে বাস্তবায়িত না হয়—তার জন্য বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছে। আমরা যেটা জেনেছি, বঙ্গবন্ধু কোনও মেকানাইজড নেতা ছিলেন না। তিনি ছিলেন প্রকৃতি থেকে গড়ে ওঠা মাটি-মানুষের নেতা। মাটি ও মানুষকে ধারণ করে তিনি অবিসংবাদিত নেতা হয়েছেন। জাতির পিতা হয়েছেন। আজ বঙ্গবন্ধুর আদর্শ পত পত করে উড়ছে। তাঁর আদর্শের ভিত্তিতে তাঁর রক্তের উত্তরাধিকারীর হাত ধরে উন্নত দেশের পথে এগিয়ে চলছে।’

সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সামসুল হক টুকু বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যায় যারা ষড়যন্ত্রের সঙ্গে ছিল তারা মৃত্যুবরণ করতে পারে। কিন্তু তাদের মুখোশ উন্মোচন করা দরকার।’

অন্যদের মধ্যে সরকারি দলের আবুল কালাম আজাদ, আবুল হাসান মাহমুদ আলী, নুরুল ইসলাম নাহিদ, নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, শামসুল হক, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, শাজাহান খান, মির্জা আজম, আতিউর রহমান, তাহজীব আলম সিদ্দিকী, জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমাম, সংরক্ষিত নারী আসনের আরমা দত্ত আলোচনায় অংশ নেন।

– দিনাজপুর দর্পণ নিউজ ডেস্ক –