• বৃহস্পতিবার   ০৩ ডিসেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৮ ১৪২৭

  • || ১৭ রবিউস সানি ১৪৪২

সর্বশেষ:
‘সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের শান্তি বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর’ কুড়িগ্রামে ট্রলিচাপায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নিহত ছদ্মবেশে সরকারি অফিস থেকে দালাল ধরলেন ম্যাজিস্ট্রেট ভঙ্গুর সাংগঠনিক অবস্থার কারণে নিশ্চিহ্নের পথে বিএনপি চীনা বা ভারতীয় ঋণের ফাঁদের গল্প তথ্যভিত্তিক নয়- পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বিরামপুর থানায় ওসি’র রুমে প্রবেশ করতে অনুমতি লাগে না

প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২০  

দিনাজপুরের বিরামপুর থানা অফিসার ইনচার্জ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) রুমে প্রবেশ করতে অনুমতি লাগে না,জনসাধারণ যে কোন সমস্যায় সরাসরি একজন সরকারি কর্মচারী হিসেবে সাধারণ মানুষের সেবায় জনগণের কাছে নিজকে নিবেদিত প্রাণ রুপে তুলে ধরেছেন থানা অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান।

জনসাধারণের যে কোন অভিযোগ দাখিলের সাথে সাথে ঘটনার সত্যতা যাচাই করে দিচ্ছেন আইনি সহায়তায়
অনবরত ভাবে এগিয়ে জেলার বিরামপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান। জানা যায়, তিনি থানায় জনগণের অভিযোগে দরবারের প্রাথমিক পর্যায়ে গড়ে তুলেছেন ব্যাপক প্রশংসিত কার্যক্রম চিত্র।

জনসাধারণ হয়তো এমন তথ্যটি পূর্বেই জেনে গেছে থানার ওসির রুমে প্রবেশ করতে অনুমতির প্রয়োজন হয় না সাধারণ জনগণের এমনই তথ্য অবগত হওয়া যায়। প্রতিনিয়ত জনসাধারণ এমন কি গ্রামের পাড়া মহল্লা থেকে মানুষ সরাসরি পুলিশ কর্মকর্তার কক্ষে তার সঙ্গে কথা বলার সূযোগ পেয়ে তাদের সমস্যা সমাধান পেয়ে যাচ্ছেন।

বর্তমানে ওসির রুমের দরজায় ঝুলানো অবস্থায় ‘‘এটা একজন গণ কর্মচারীর অফিস কক্ষ, যে কোনো প্রয়োজনে এই অফিস কক্ষে ঢুকতে অনুমতির প্রয়োজন নাই’’ সরাসরি রুমে ঢুকুন। ওসি-কে স্যার বলার দরকার নাই’’। অবাক করার মতো হলেও এমন উদ্যোগ নিয়েছেন দিনাজপুরের বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান মনির। বিষয়টির প্রশংসনীয় হয়ে ওঠেছে সারা জেলা।
আরও জানা যায় যে,গত ৩০শে (সেপ্টেম্বর) ২০১৮ইং তারিখ বিরামপুর থানায় ওসি হিসেবে যোগ দেন ওসি মনিরুজ্জামান মনির। এর পর থেকেই প্রশংসিত হচ্ছে তার নানা কর্মকাণ্ড। এই উদ্যোগের কারণে ইতোমধ্যেই তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গণমাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছেন মর্মে জানা যায়।
এ বিষয়ে বিরামপুর বাসিন্দা বিদুৎ হোসেন বলেন, থানায় এসে দেখলাম ওসির রুমের সামনে ঝুলানো ব্যানারে লেখা,তার রুমে প্রবেশ করতে অনুমতি লাগবে না। তাকে স্যারও ডাকতে হবে না। বিষয়টি অনেক ভালো লাগলো। ওসি নিজেই ভাই বলে ভেতরে ডেকে নিয়ে কথা বললেন। জিডি করতে সহায়তা করলেন। এমন অফিসারই তো চাই ও দেশের প্রত্যেক থানায় এমন অফিসারের মত হলে দেশ ও জনসাধারণ কল্যাণে মধ্যে থাকবে।
ওসির সঙ্গে খোলামেলা ভাবে কথা বলতে পেরে খুশি সব শ্রেণি-পেশার স্থানীয় জনগণ।

তারা মনে করেন,এভাবে সাধারণ মানুষ পুলিশের কাছে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারলে তা সবার জন্যই কল্যাণকর হবে।
এ বিষয়ে ওসি মনিরুজ্জামান জানান, ‘‘মুজিব বর্ষ উপলক্ষে পুলিশের স্লোগান হচ্ছে ‘মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার,পুলিশ হবে জনতার’’। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আমাদের আইজিপি মহোদয় চাচ্ছেন পুলিশ আরও জনবান্ধব হোক। আমি খেয়াল করেছি মানুষ ওসির রুমে ঢুকতে ইতস্তত বোধ করে,ভয় পায়।

অনেক সময় অনুমতির জন্য ঘোরাফেরা করে। এতে জনগণের সঙ্গে একটা দূরত্ব থেকে যায়। আমি প্রজাতন্ত্রের কর্মচারি। মানুষ আমাকে তাদের একজন ভাববে এটাই আমি চাই। তাই রুমের বাইরে ওই লেখা টানিয়েছি।
যাতে করে জনসাধারণ কোন প্রকার মন্তব্য না করে আমার সাথে সরাসরি সাক্ষাৎ করতে পারেন।

– দিনাজপুর দর্পণ নিউজ ডেস্ক –