• শুক্রবার   ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ||

  • আশ্বিন ২ ১৪২৮

  • || ০৮ সফর ১৪৪৩

সর্বশেষ:
১ কোটি ৪২ লাখ মানুষ দ্বিতীয় ডোজের আওতায় বঙ্গবন্ধু ছিলেন একজন খাঁটি পরিবেশ ও প্রকৃতিপ্রেমিক- পরিবেশমন্ত্রী `ঘরে ঘরে ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল পৌঁছে গেছে` মার্চ-এপ্রিলের মধ্যে ২৪ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন পাব: পররাষ্ট্রমন্ত্রী `স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর উৎসব পালিত হবে তৃণমূল পর্যন্ত`

মা-ছেলেকে অপহরণ: সিআইডির এএসআই-কনস্টেবল বরখাস্ত 

প্রকাশিত: ২৮ আগস্ট ২০২১  

দিনাজপুরের চিরিরবন্দর থেকে মা-ছেলেকে অপহরণের ঘটনায় রংপুর সিআইডির এএসআই হাসিনুর রহমান ও কনস্টেবল আহসানুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে রংপুর সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এসপি) আতাউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‌মা-ছেলেকে অপহরণের ঘটনায় এএসআই ও কনস্টেবলকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো কাগজপত্র পাইনি।

একই ঘটনায় গ্রেফতারকৃত রংপুর সিআইডির এএসপি সরোয়ার কবীর সোহাগকে বরখাস্ত করা হয়নি। ঘটনা তদন্তে সিআইডি দিনাজপুরের পুলিশ সুপার পংকজ কুমারকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও জানান আতাউর রহমান।

এদিকে মা ও ছেলেকে অপহরণের ঘটনায় করা মামলার বাকি আসামি ও জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছে ডিবি পুলিশ। দিনাজপুর ডিবি পুলিশের ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নতুন করে কাউকে আটক করা হয়নি। তবে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

চিরিরবন্দর থেকে মা-ছেলেকে অপহরণের পর মুক্তিপণ নিতে বাশেরহাট এলাকায় এসে গত ২৪ আগস্ট বিকেলে পুলিশের হাতে ধরা পড়েন সিআইডির এএসপি সারোয়ার কবির, এএসআই হাসিনুর রহমান ও কনস্টেবল আহসানুল হকসহ পাঁচজন। পরে অপহরণকারী ও ভুক্তভোগীদের দিনাজপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে নেয়া হয়।

ওই ঘটনায় ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর আলম ১০ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। মামলায় রংপুর সিআইডির এএসপি সারোয়ার কবির, এএসআই হাসিনুর রহমান ও কনস্টেবল আহসানুল হক, মাইক্রোবাসচালক হাবিব, নিমনগর বালুবাড়ী এলাকার এনামুল হকের ছেলে ফসিহ উল আলম পলাশকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তারা আদালতের নির্দেশে কারাগারে আছেন। আসামি পলাশ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। উদ্ধার হওয়া দুই ভুক্তভোগী ও দুই সাক্ষীর জবানবন্দিও গ্রহণ করেছে আদালত।

মামলার বাকি পাঁচ আসামি হলেন- চিরিরবন্দর উপজেলার আন্ধারমুহা গ্রামের এন্তাজুল হকের ছেলে আরেফিন শাহ, শহরের ৬ নম্বর উপশহর খেরপট্টি এলাকার সোহেল, সুইহারী চৌরঙ্গী বাজারের রিয়াদ, ২ নম্বর উপশহর এলাকার সুমন ও ৩ নম্বর উপশহর এলাকার জাহিদ।

– দিনাজপুর দর্পণ নিউজ ডেস্ক –