ব্রেকিং:
করোনায় আক্রান্ত হয়ে রংপুর বিভাগের কুড়িগ্রামে আরো একজনের মৃত্যু। রংপুর নগরীতে করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে জীবাণুনাশক স্প্রে করছে সিটি কর্পোরেশন।
  • বৃহস্পতিবার   ১৫ এপ্রিল ২০২১ ||

  • বৈশাখ ২ ১৪২৮

  • || ০২ রমজান ১৪৪২

সর্বশেষ:
রংপুর নগরীর শাপলা চত্বর এলাকায় র‌্যাব-১৩ এর উদ্যোগে করোনা সংক্রমণ রোধে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চলছে। করোনাভাইরাস সংক্রমণ মোকাবিলায় সারাদেশে দ্বিতীয় দিনের মতো সর্বাত্মক লকডাউন চলছে। প্রবাসী কর্মীদের জন্য বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করছে সরকার বসুন্ধরার হাসপাতাল ‘উধাও’ হয়নি, বণ্টন হয়েছে- স্বাস্থ্যের ডিজি রংপুরসহ দেশের তিন বিভাগ ও দুই জেলার একাধিক স্থানে কালবৈশাখী ঝড়ের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সর্বাত্মক লকডাউনের দ্বিতীয় দিনেও রংপুরে রাস্তার মোড়ে মোড়ে বসেছে পুলিশের চেকপোস্ট।

মুক্ত আকাশে ডানা মেলবে বীরগঞ্জে উদ্ধার হওয়া ১৬ শকুন 

প্রকাশিত: ২৯ মার্চ ২০২১  

মুক্ত আকাশে ফের ডানা মেলবে দিনাজপুরের বীরগঞ্জে শকুন উদ্ধার ও পরিচর্যা কেন্দ্রে সুস্থ হয়ে ওঠা ১৬টি শকুন। এপ্রিলের যে কোনো দিন শকুনগুলোকে মুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন সিংড়া জাতীয় উদ্যানের বিট কর্মকর্তা হরিপদ দেবনাথ।

তিনি বলেন, হিমালয়ের পাদদেশে দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও এবং পঞ্চগড়ে এখনো কিছু শকুন দেখা যায়। শকুনগুলো অনেক দূর থেকে আমাদের দেশে আসায় ক্লান্ত হয়ে পড়ে। গত বছর ১৩টি শকুন উদ্ধার করে পরিচর্যা শেষে সুস্থ হওয়ার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। এবার সংরক্ষণে থাকা ১৬টি শকুন নিবিড় পরিচর্যা শেষে তাদের সুস্থ করে প্রকৃতিতে ছেড়ে দেয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘শকুন উদ্ধার ও পরিচর্যা কেন্দ্রে যে শকুনগুলো রয়েছে তা হিমালয়ান গ্রিফন ভালচার বা গৃধিনী জাতের শকুন। শীতের সময় এসব শকুন খাদ্যের সন্ধানে ভারত, নেপাল থেকে উড়ে এ দেশে আসে। দীর্ঘদিন আকাশে উড়ে খাদ্যাভাবে তারা দুর্বল হয়ে মাটিতে পড়ে যায়। এগুলোর মধ্যে আমরা কিছু শকুন খুঁজে পাই। তাদের খাবার ও অন্যান্য পরিচর্যা করে সুস্থ করে ফের প্রকৃতিতে ছেড়ে দেয়া হয়।’

শকুন পরিচর্যার দায়িত্বে থাকা হাবিবুর রহমান বলেন, দিনাজপুরসহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মোবাইল ফোনে খবর পেয়ে অসুস্থ অবস্থায় ১৬টি শকুন সংগ্রহ করা হয়। তাদের পরিচর্যা শেষে সুস্থ করে আবার প্রকৃতিতে ছেড়ে দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, রাজশাহী, কুড়িগ্রাম, টাঙ্গাইল, গাইবান্ধা, রংপুর, নীলফামারীসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে শকুন সংগ্রহ করে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসা দেয়া হয়। পরে অসুস্থ ও দুর্বল শকুনদের সুস্থ করে আবার প্রকৃতিতে ছেড়ে দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে বাংলাদেশের একমাত্র শকুন উদ্ধার ও পরিচর্যা কেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়। কেন্দ্রটি চালু করার পর থেকে এখানে প্রতি বছর ১০-১৫টি শকুন উদ্ধারের পর চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়। এবার ১৬টি শকুন বিভিন্ন অঞ্চল থেকে উদ্ধারের পর কেন্দ্রে চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হবে।

– দিনাজপুর দর্পণ নিউজ ডেস্ক –