• বৃহস্পতিবার   ২৯ অক্টোবর ২০২০ ||

  • কার্তিক ১৪ ১৪২৭

  • || ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

সর্বশেষ:
আত্মরক্ষার জন্য শক্তিশালী সশস্ত্রবাহিনী গড়বে সরকার: প্রধানমন্ত্রী নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে সরকারের উপর দোষ চাপাচ্ছে বিএনপি: কাদের ৯৫ হাজার নতুন শ্রেণিকক্ষ পাবে মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা মুজিববর্ষ উদযাপনে বাংলাদেশে আসবেন এরদোয়ান ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর মন্তব্যে বিরক্ত বিএনপি

যে কারণে মধ্যপ্রাচ্যে জনপ্রিয়তা বাড়ছে এরদোগানের 

প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর ২০২০  

আরব শাসকদের তীব্র বিরোধিতা সত্ত্বেও দেশগুলোর সাধারণ জনগণের মাঝে হু হু করে জনপ্রিয়তা বাড়ছে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোগানের। অতি সম্প্রতি প্রকাশিত আরব জনমতের ওপর একটি ব্যাপক-ভিত্তিক জরিপের ফলাফলের বরাত দিয়ে একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এ খবর প্রকাশ করেছে। খবর বিবিসির।

এতে বলা হয়, মিসরকে সঙ্গে নিয়ে উপসাগরীয় অধিকাংশ আরব দেশ তুরস্ককে কোণঠাসা করার উপায় খুঁজতে তৎপর হলেও সিংহভাগ আরব জনগণ মনে করছে এরদোগানই তাদের সবচেয়ে বড় শুভাকাঙ্ক্ষী।

জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ৫৮ শতাংশই মনে করেন, অন্য যে কোনো দেশের নীতির তুলনায় তুরস্কের মধ্যপ্রাচ্য-নীতি আরব স্বার্থের পক্ষে। ফিলিস্তিন ইস্যু তো বটেই, এমনকি সিরিয়া এবং লিবিয়ায় তুরস্কের বিতর্কিত সামরিক হস্তক্ষেপও সিংহভাগ আরব জনগণ সমর্থন করছে।

তুরস্কের পর চীন ও জার্মানির মধ্যপ্রাচ্য নীতির প্রতি আরবদের মনোভাব সবচেয়ে ইতিবাচক। চীনের নীতির প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেন ৫৫ শতাংশ, আর জার্মানির নীতির পক্ষে ইতিবাচক মতামত দেন ৫২ শতাংশ উত্তরদাতা।

তুরস্ক এবং প্রেসিডেন্ট এরদোগানের ব্যাপারে আরব দেশের সরকার ও জনগণের এই বিপরীত অবস্থান উন্মোচিত হয়েছে ওই জরিপের ফলাফলে। আরব বিশ্বের ১৩টি দেশে পরিচালিত হয় এই জনমত জরিপ।

উল্টোদিকে, সবচেয়ে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পেয়েছে আমেরিকার মধ্যপ্রাচ্য-নীতির ব্যাপারে।

এশিয়া ও আফ্রিকায় আরব বিশ্বের ১৩টি আরব রাষ্ট্রে বিভিন্ন জাতীয়, আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক ইস্যুতে সাধারণ আরব জনগণের মনোভাব জানতে এই জরিপটি করেছে দোহা এবং বৈরুতভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ‘আরব সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি স্টাডিজ’।

লন্ডনে রাজনৈতিক ঝুঁকি সম্পর্কিত গবেষণা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারেস্টের প্রধান এবং মধ্যপ্রাচ্য রাজনীতির বিশ্লেষক সামি হামদি মনে করেন, তুরস্ক রাষ্ট্রের চেয়ে ব্যক্তি প্রেসিডেন্ট এরদোগান যে সাধারণ আরব জনগণের বিরাট একটি অংশের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠছেন, তা নিয়ে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই।

তিনি বলেন, ‘সন্দেহ নেই তুরস্কের গ্রহণযোগ্যতা, বিশেষ করে সাধারণ প্রান্তিক আরব জনগোষ্ঠীর কাছে, বাড়ছে। এবং গ্রহণযোগ্যতা বাড়ার পেছনে তুরস্ক রাষ্ট্রের চেয়ে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের ভাবমূর্তি প্রধান ভূমিকা রাখছে।’

সামি হামদি বলেন, ‘এরদোগানের আগের তুরস্ক এবং এরদোয়ান পরবর্তী তুরস্ক যে অনেক আলাদা আরবরা তা বুঝতে পারছে। তারা জানে তুরস্কের নতুন যে বিদেশ নীতি তার স্রষ্টা এককভাবে এরদোয়ান।’

– দিনাজপুর দর্পণ নিউজ ডেস্ক –