ব্রেকিং:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মানে আমৃত্যু কারাবাস- আপিল বিভাগের এমন রায় ‘অসামঞ্জস্যপূর্ণ’ দাবি করে আসামি পক্ষের পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদনের রায় ঘোষণা করা হয়েছে। রায়ে যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাবাস রেখেই আপিল বিভাগ এই চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন। তবে প্রেক্ষাপট বিবেচনায় আদালত চাইলে ৩০ বছর কারাদণ্ড দিতে পারেন।
  • বুধবার   ০২ ডিসেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৮ ১৪২৭

  • || ১৬ রবিউস সানি ১৪৪২

সর্বশেষ:
মহান বিজয়ের মাস শুরু ‘মৌলবাদীদের হাতে ভাস্কর্য থাকা না থাকার ইজারা দেয়নি জনগণ’ বিজয়ের মাসে অপশক্তির আস্ফালন রুখতেই হবে রাজনীতিতে ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে বিএনপি আপিল বিভাগের চূড়ান্ত রায়, যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাবাস

রানিশংকৈলে সড়কের বেহাল দশা: ভোগান্তিতে ৫শ’ পরিবার

প্রকাশিত: ১৪ জুলাই ২০২০  

ঠাকুরগাঁওয়ের রানিশংকৈল উপজেলার আরডিআরএস মোর থেকে হাজীপাড়া পর্যন্ত সড়কটির বেহাল দশায় জনদূর্ভোগ চরমে পৌছেছে। চলতি বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই ভারি বর্ষণ হওয়ায় এবং পানি নিষ্কাশনের সু-ব্যবস্থা না থাকায় সড়কটিতে সৃষ্টি হয়েছে বড় দুটি গর্তের। এতে সড়কটি দুটি জায়গায় বিচ্ছিন্ন হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে দু’পাশের প্রায় ৫শ পরিবার।

সোমবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দক্ষিণ সন্ধ্যারই ও হাজিপাড়া শেখ রাসেল স্টেডিয়ামসহ হোসেনগাঁও ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাতায়াতের একমাত্র এ সড়কটি একমাস যাবত এভাবেই বিচ্ছিন্ন অবস্থায় পড়ে রয়েছে। অভিযোগের সুরে এমনটাই জানা গিয়েছে স্থানীয়দের মুখ থেকে।

তারা জানান, এক মাস আগে প্রচন্ড বৃষ্টিপাতের কারণে পানির স্রোতে পাকা সড়কটি ভেঙ্গে গিয়ে দুটি স্থানে বড় বড় গর্তে পরিণত হয়েছে এবং দুটিতেই সড়কটি একেবারে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে । এতে পথচারীদের যেমন সমস্যা হচ্ছে অপরদিকে দুট গ্রামের প্রায় পাঁচ শতাধিক পরিবারও বিচ্ছিন্ন জীবন যাপন করছে। মেয়র বা স্থানীয় কাউন্সিলরদের কেউ কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেনা এটি মেরামতের।

মোবারক নামের এক সবজি ব্যাবসায়ী জানান,  গত একমাস যাবত রাস্তাটি দিয়ে চলাচল করা যায় না। বিকল্প পথে অনেক দুর দিয়ে ঘুরে বাজারে যেতে হয়। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে এমনিতেই বাজারে বসার সময় পাই থুবই কম তার ওপর আবার যাতায়াতের এ অবস্থা। তবুও আমাকে সময় অপচয় করে অনেকটা রাস্তা ঘুরে যেতে হয় সবজি বিক্রি করতে। রাস্তাটির মেরামতের দ্রুত কোন পদক্ষেপ নিলে আমার মত অন্যান্য ব্যাবসায়ী ও দু গ্রামের মানুষরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে।

পৌর কাউন্সিলর সাদেকুল জানান, সড়কটিতে আপাদত মেরামত করতে প্রচুর পরিমাণে রাবিস মাটি ও খোয়া লাগবে। বিষয়টি আমাদের মেয়রকে জানিয়েছি। তবে আমার করার কিছুই নাই। 

এবিষয়ে পৌর মেয়র আলমগীর সরকারের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

– দিনাজপুর দর্পণ নিউজ ডেস্ক –