ব্রেকিং:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মানে আমৃত্যু কারাবাস- আপিল বিভাগের এমন রায় ‘অসামঞ্জস্যপূর্ণ’ দাবি করে আসামি পক্ষের পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদনের রায় ঘোষণা করা হয়েছে। রায়ে যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাবাস রেখেই আপিল বিভাগ এই চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন। তবে প্রেক্ষাপট বিবেচনায় আদালত চাইলে ৩০ বছর কারাদণ্ড দিতে পারেন।
  • বুধবার   ০২ ডিসেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৭ ১৪২৭

  • || ১৬ রবিউস সানি ১৪৪২

সর্বশেষ:
মহান বিজয়ের মাস শুরু ‘মৌলবাদীদের হাতে ভাস্কর্য থাকা না থাকার ইজারা দেয়নি জনগণ’ বিজয়ের মাসে অপশক্তির আস্ফালন রুখতেই হবে রাজনীতিতে ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে বিএনপি আপিল বিভাগের চূড়ান্ত রায়, যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাবাস

শিশু জিহাদ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ   

প্রকাশিত: ৯ সেপ্টেম্বর ২০২০  

শিশু জিহাদ হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে তার বাবা ও সৎ মাসহ আরো দু'জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ক্লুলেস এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

হত্যাকাণ্ডের শিকার শিশু জিহাদ (১২) দিনাজপুরের খানসামা এলাকার জিয়াউর রহমানের ছেলে।

সৎ মা ও বাবার সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় শিশু জিহাদকে। শুধু তাই নয়, মৃত্যু নিশ্চিত করতে ফুটন্ত গরম পানিতে তার শরীর ঝলসে দেয় পাষণ্ড বাবা। পরে অর্ধগলিত অবস্থায় স্টিলের বাক্সে বন্দী করে রাতের আধারে ফেলে দেওয়া হয় নীলফামারীর ডিমলা রামডাঙ্গা ফরেস্ট ও সিংগাহাড়া নদীর তীরে।


মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে প্রেসব্রিফিং করে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রংপুর পিবিআই পুলিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেন।

রংপুর পিবিআই'র এসপি জানান, গত ১৪ জুলাই মধ্যরাতে ঘুমন্ত অবস্থায় শিশু জিহাদকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার পর ওয়াটার হিটার দিয়ে করা গরম পানি গায়ে ঢেলে মৃত্যু নিশ্চিত করে তার বাবা জিয়াউর রহমান। পরের দিন সকালে জিয়াউর রহমান ও সৎ মা আলেয়া মনি (১৯) এবং নানা আইয়ুব আলী (৫৫) বাড়ির বেডসিট ও কাপড় দিয়ে পেঁচিয়ে স্টিলের বাক্সে তাকে তালাবন্ধ করে। এরপর ১৩ হাজার টাকা চুক্তিতে মধ্যরাতে পাশ্ববর্তী জেলার ডিমলা ফরেস্ট এলাকায় জিহাদের লাশ ফেলে রেখে যায়।

গত ১৫ জুলাই মধ্যরাতে রাস্তার পাশে স্টিলের বাক্সটি দেখতে পেরে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয়। বাক্সে একটি অর্ধগলিত লাশ মিললে নাম পরিচয় মেলেনি এমনকি স্থানীয়রা কেউ লাশ শনাক্ত করতে পারেনি।

এ ঘটনায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) রংপুরের পুলিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একটি তদন্তকারী দল ওই ঘটনার ১ মাস ১৭ দিনের মাথায় ক্লুলেস এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে।

এদিকে শিশু জিহাদ হত্যাকাণ্ডে তার বাবা জিয়াউর রহমান, সৎ মা আলেয়া মনি ও নানা আইয়ুব আলীসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানান এসপি জাকির হোসেন।

– দিনাজপুর দর্পণ নিউজ ডেস্ক –