ব্রেকিং:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মানে আমৃত্যু কারাবাস- আপিল বিভাগের এমন রায় ‘অসামঞ্জস্যপূর্ণ’ দাবি করে আসামি পক্ষের পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদনের রায় ঘোষণা করা হয়েছে। রায়ে যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাবাস রেখেই আপিল বিভাগ এই চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন। তবে প্রেক্ষাপট বিবেচনায় আদালত চাইলে ৩০ বছর কারাদণ্ড দিতে পারেন।
  • বুধবার   ০২ ডিসেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৭ ১৪২৭

  • || ১৬ রবিউস সানি ১৪৪২

সর্বশেষ:
মহান বিজয়ের মাস শুরু ‘মৌলবাদীদের হাতে ভাস্কর্য থাকা না থাকার ইজারা দেয়নি জনগণ’ বিজয়ের মাসে অপশক্তির আস্ফালন রুখতেই হবে রাজনীতিতে ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে বিএনপি আপিল বিভাগের চূড়ান্ত রায়, যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাবাস

সাধারণ আফগানদের হত্যা করেছে অস্ট্রেলিয়ার সেনারা

প্রকাশিত: ১৯ নভেম্বর ২০২০  

ঠান্ডা মাথায় আফগানিস্তানের বেসামরিক এবং যুদ্ধবন্দিদের হত্যা করেছিল অস্ট্রেলিয়ার এলিট আর্মি। সম্প্রতি সে কথা স্বীকার করে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার সেনাবাহিনী। 

অস্ট্রেলিয়ার সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ওই ঘটনার জন্য তারা অত্যন্ত দুঃখিত। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং দোষীরা শাস্তি পাবেন।

২০০২ সালে অস্ট্রেলিয়ার সেনাবাহিনী আফগানিস্তানে গিয়েছিল। ন্যাটো বাহিনীর হয়ে আফগানিস্তানে দীর্ঘ দিন লড়াই করেছে তারা। যে ঘটনার কথা বলা হচ্ছে, ২০০৫ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে সেই ঘটনাগুলো ঘটেছে।

তবে ঘটনাগুলো কোনো দিনই জনসমক্ষে আসতো না। বছর কয়েক আগে অস্ট্রেলিয়া সেনাবাহিনীর সদর দপ্তর থেকে কিছু ফাইল ফাঁস হয়ে যায়। 

আফগান ফাইল নামে সংবাদমাধ্যমে উঠে আসে সেখানকার তথ্য। তাতে দেখা যায়, সাধারণ মানুষের ওপর কিভাবে অত্যাচার চালিয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার এলিট ফোর্সের কিছু সেনা। তার পরই তদন্ত শুরু হয় এবং সত্য প্রকাশ্যে আসে।

অস্ট্রেলিয়া এলিট আর্মির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জেনারেল অ্যাঙ্গুস ক্যাম্পবেল জানান, অন্তত ৩৯ জন সাধারণ আফগানকে হত্যা করেছিল সেনাবাহিনী। 

নিহতদের কেউ সাধারণ চাষী, কেউ শিক্ষক। যুদ্ধের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক ছিল না। অস্ট্রেলিয়া পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল এই ঘটনার তদন্ত করেছেন। 

তিনি বলেছেন, ২০০৫ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত লাগাতার এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার সেনাবাহিনী। এত বড় নীতিহীনতার অভিযোগ এর আগে অস্ট্রেলিয়ার সেনার বিরুদ্ধে ওঠেনি। দোষীদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।

– দিনাজপুর দর্পণ নিউজ ডেস্ক –