ব্রেকিং:
করোনায় আক্রান্ত হয়ে রংপুর বিভাগের কুড়িগ্রামে আরো একজনের মৃত্যু। রংপুর নগরীতে করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে জীবাণুনাশক স্প্রে করছে সিটি কর্পোরেশন।
  • বৃহস্পতিবার   ১৫ এপ্রিল ২০২১ ||

  • বৈশাখ ২ ১৪২৮

  • || ০২ রমজান ১৪৪২

সর্বশেষ:
রংপুর নগরীর শাপলা চত্বর এলাকায় র‌্যাব-১৩ এর উদ্যোগে করোনা সংক্রমণ রোধে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চলছে। করোনাভাইরাস সংক্রমণ মোকাবিলায় সারাদেশে দ্বিতীয় দিনের মতো সর্বাত্মক লকডাউন চলছে। প্রবাসী কর্মীদের জন্য বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করছে সরকার বসুন্ধরার হাসপাতাল ‘উধাও’ হয়নি, বণ্টন হয়েছে- স্বাস্থ্যের ডিজি রংপুরসহ দেশের তিন বিভাগ ও দুই জেলার একাধিক স্থানে কালবৈশাখী ঝড়ের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সর্বাত্মক লকডাউনের দ্বিতীয় দিনেও রংপুরে রাস্তার মোড়ে মোড়ে বসেছে পুলিশের চেকপোস্ট।

সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে রংপুর মেট্রোপলিটন কৃষি অফিস

প্রকাশিত: ১৭ মার্চ ২০২১  

সাতটি ইউনিয়ন আর সিটি কর্পোরেশন নিয়ে গঠিত রংপুর মেট্রোপলিটন কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয়। এ কার্যালয়ের আওতায় ২০ হাজার ২৫১ হেক্টর জমি রয়েছে। এর মধ্যে চাষযোগ্য জমির পরিমাণ ১৩ হাজার ২০০ হেক্টর। পর্যাপ্ত লোকবল না থাকায় কৃষকদের সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

বর্তমানে রংপুর মেট্রোপলিটন কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয়ে কর্মরত আছেন মাত্র চারজন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা (এসএএও)। মেট্রোপলিটনের আওতায় আসার আগে প্রতিটি ইউনিয়নে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ছিলেন তিনজন করে।

কর্মকর্তারা জানান, এ অফিসের জন্য সাত বছর ধরে ২২ জন এসএএও নিয়োগ এবং চারটি জোনে ভাগ করার আবেদন জানানো হচ্ছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো সুরাহা হয়নি। কবে এ নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হবে তাও জানা যায়নি। বর্তমান পরিস্থিতিতে ২৩৯ দশমিক ৭৩ বর্গকিলোমিটার আয়তনের মেট্রোপলিটন এলাকা পরিদর্শনসহ অন্যান্য কর্মকার্যক্রম পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। কৃষকরাও যথাযথ সেবা ও পরামর্শ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

২০১৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে রংপুর মেট্রোপলিটন কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয়। এ কার্যালয়ের অধীনে নিবন্ধিত ও সাধারণ কৃষকের সংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার। অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী এ কার্যালয়ে লোকবল আছে মাত্র ১২ জন। অথচ রংপুরের আটটি উপজেলার কৃষি অফিসগুলোর প্রতিটিতে লোকবল আছে ৩৫ থেকে ৭১ জন করে।

নগরীর ৯ নম্বর ওয়ার্ডের (সাবেক তপোধন ইউনিয়ন) কৃষক আব্দুল কুদ্দুস বলেন, মেট্রোপলিটন এলাকার অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় পর অনেক সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার আশা করেছিলাম। বর্তমানে পরিস্থিতি উল্টো। লোকবলের অভাবে আমরা সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি।

রংপুর মেট্রোপলিটন কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয়ের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আল আমিন খন্দকার বলেন, মেট্রোপলিটন এলাকায় গত মৌসুমে ১২ হাজার ২২৫ হেক্টর জমিতে ৩৪ হাজার ৯৩০ টন আমন ধান উৎপাদন হয়েছে। সাত হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান হয়েছে ৩৩ হাজার ১৩ টন। এছাড়া তিন হাজার ৩২৫ হেক্টর জমিতে ১০ হাজার ১২৯ টন আউশ ধান উৎপাদন হয়েছে। অথচ এ বিশাল এলাকা দেখাশোনার জন্য এসএএও আছেন মাত্র চারজন।

তিনি আরো বলেন, মেট্রোপলিটন এলাকায় ছয়টি প্রশাসনিক থানার আদলে ছয়টি মেট্রোপলিটন কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় চালু করা প্রয়োজন। এর পাশাপাশি নিজস্ব কৃষি কমিটিও গঠন করা দরকার। এতে কাজ করা সহজ হবে।

রংপুর মেট্রোপলিটন কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আমিনা খাতুন বলেন, মেট্রোপলিটন এলাকায় চারটি মেট্রোপলিটন কৃষি অফিসারের কার্যালয় হওয়ার কথা ছিল। এ পরিকল্পনা আজও বাস্তবায়ন হয়নি। আমার কার্যালয়ে আরো ২০-২২ জন এসএএও প্রয়োজন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে বিষয়টি জানিয়েছি। এখনো লোকবল না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে আটজন এসএএওকে ডেপুটেশনে আনা হয়েছে।

– দিনাজপুর দর্পণ নিউজ ডেস্ক –