• শুক্রবার   ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ||

  • আশ্বিন ২ ১৪২৮

  • || ০৮ সফর ১৪৪৩

সর্বশেষ:
১ কোটি ৪২ লাখ মানুষ দ্বিতীয় ডোজের আওতায় বঙ্গবন্ধু ছিলেন একজন খাঁটি পরিবেশ ও প্রকৃতিপ্রেমিক- পরিবেশমন্ত্রী `ঘরে ঘরে ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল পৌঁছে গেছে` মার্চ-এপ্রিলের মধ্যে ২৪ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন পাব: পররাষ্ট্রমন্ত্রী `স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর উৎসব পালিত হবে তৃণমূল পর্যন্ত`

হাবিপ্রবিতে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১  

দিনাজপুর: হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(হাবিপ্রবি) ২৩তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে “প্রতিষ্ঠা-প্রাপ্তি-প্রত্যাশা” শীর্ষক আলোচনা সভা ১১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭.৩০ টায় ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হয়।

হাবিপ্রবির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এম. কামরুজ্জামান এর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সম্মানিত সচিব জনাব মোঃ মাহবুব হোসেন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সম্মানিত সদস্য প্রফেসর ড. মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, হাবিপ্রবির ট্রেজারার প্রফেসর ড. বিধান চন্দ্র হালদার এবং সূচনা বক্তব্য প্রদান করেন বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক প্রফেসর ড. ইমরান পারভেজ। উক্ত আলোচনা সভায় উপস্থাপনা করেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহকারি অধ্যাপক জনাব মোঃ সাইফউদ্দিন দুরুদ ও রসায়ন বিভাগের ফাতিয়া ফারহানা।  

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হাবিপ্রবির ট্রেজারার প্রফেসর ড. বিধান চন্দ্র হালদার তার বক্তব্যে সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ২৩ বছরে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের গর্ব করার মতো অনেক অর্জন আছে পাশাপাশি কিছু সংকটও আছে। এখন সেই সংকট গুলো নিয়ে কাজ করতে হবে, আস্তে আস্তে বিশ্ববিদ্যালয়কে সমৃদ্ধ করতে হবে। কেউ ভালো কাজ করলে তাকে পুরস্কৃত করতে হবে আর কেউ খারাপ কাজ বা দায়িত্বে অবহেলা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি প্রফেসর ড. মোঃ সাজ্জাদ হোসেন বলেন দেশের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর উপর আমাদের প্রত্যাশা অনেক। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই প্রত্যাশা থেকেই বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গুলো স্থাপন করেছেন। আমি জানি সে অনুযায়ী আপনারা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তবে এক্ষেত্রে আমাদের কাজের গতি আরও বৃদ্ধি করতে হবে। দেশ গঠনে বিশ্ববিদ্যালয় গুলোকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। এক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন সার্বিকভাবে সহযোগিতা করবে। 

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জনাব মোঃ মাহবুব হোসেন বলেন, হাবিপ্রবির অনেক অর্জনের কথা আমি শুনেছি। আমি জানি আপনারা স্থানীয় কৃষকদের সরাসরি সেবা দিয়ে থাকেন, এটি অনেক সুন্দর একটি কাজ। আপনারা অনুষ্ঠানে যে প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেছেন, সব গুলো আমার পছন্দ হয়েছে। প্রত্যাশা গুলো পূরণে আমাদের মন্ত্রণালয়ের কিছু করার থাকলে আমরা অবশ্যই তা করবো। সমাজের, রাস্ট্রের যে চাহিদাগুলো আছে সেসব নিয়ে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি গবেষণার দিকে আরও ব্যাপকভাবে জোর দিতে হবে। অবকাঠামোগত মাস্টারপ্ল্যানের সাথে গবেষণার ক্ষেত্রেও মাস্টারপ্ল্যান হাতে নিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে তিনি হাবিপ্রবির সর্বাঙ্গীণ সফলতা কামনা করেন এবং তাকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয় কে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এম. কামরুজ্জামান তার বক্তব্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুবিজুর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে হাবিপ্রবির যাত্রা শুরু। দেশ ও স্থানীয় মানুষের জীবন মান উন্নয়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ও প্রত্যাশা থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর যাত্রা শুরু হয়। সে প্রত্যাশা অনুযায়ী আমরা কাজ করে যাচ্ছি। বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে তিনি হাবিপ্রবির শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, এলামনাই, কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানেন। পরিশেষে, অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হওয়ায় প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথিসহ সকলকে তিনি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

– দিনাজপুর দর্পণ নিউজ ডেস্ক –