• বুধবার   ২৩ জুন ২০২১ ||

  • আষাঢ় ৯ ১৪২৮

  • || ১২ জ্বিলকদ ১৪৪২

সর্বশেষ:
আজ ২৩ জুন এ দেশের বৃহত্তম ও প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।

হিলি দিয়ে বাংলাদেশে পণ্য রপ্তানি বন্ধের চিঠি ভারতীয় ব্যবসায়ীদের 

প্রকাশিত: ৯ জুন ২০২১  

হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে রপ্তানি পণ্য নিয়ে আসা ভারতীয় ট্রাকচালক ও হেলপারদের শতভাগ করোনা টিকার আওতায় আনা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে ভারতের ব্যবসায়ীরা। এ কারণে তারা বুধবার থেকে চারটি শর্ত দিয়ে বাংলাদেশে পণ্য রপ্তানি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে।

বিষয়গুলো হলো—৮ জুনের মধ্যে সব ট্রাকচালক ও হেলপারদের টিকা দেওয়া সম্ভব নয়, কারণ ভারত জুড়ে টিকার অভাব রয়েছে। পূর্বের ন্যায় সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আমদানি-রপ্তানি চালু রাখতে হবে। আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে একক সিদ্ধান্ত না নিয়ে উভয় পক্ষ আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অন্যান্য স্থলবন্দরের মতো হিলি স্থলবন্দরেও ট্রাক পারাপার স্বাভাবিক রাখতে হবে।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশিদ জানান, ‘করোনা টিকা ও সনদ ছাড়াই ভারতীয় ট্রাকচালক ও হেলপাররা হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য নিয়ে প্রবেশ করায় দেশে ভারতে চিহ্নিত করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা দেখা দেয়। ফলে বন্দরের ব্যবসায়ী ও জনপ্রতিনিধিরা ভারতীয় ট্রাকচালক ও হেলপারদের করোনা টিকা গ্রহণ ও সনদের দাবি জানায়। এই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গত রবিবার রাতে ভারতের হিলি এক্সপোর্টার অ্যান্ড কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন এই নিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংগঠনের সেক্রেটারি ধিরাজ অধিকারী বাবাই ঐদিন রাতে একটি পত্র দিয়ে আমাদের এই কথা জানিয়েছে। তারা হিলি দিয়ে পণ্য রপ্তানি বন্ধ করে দিলে আমাদের কিছু করার নেই।’ তিনি আরো জানান, ভারতের ব্যবসায়ীদের দাবি, আগের মতো ১৫০ থেকে ২০০ পণ্যবাহী ট্রাক নিতে হবে। কিন্তু আমাদের এখানে করোনার সংক্রমণ রোধে স্থানীয় প্রশাসন, বন্দর কর্তৃপক্ষ ও স্বাস্থ্য বিভাগ মিলিয়ে বন্দরের আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ কমিয়ে ৮০ ট্রাক করে নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু সম্প্র্রতি সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ায় তা আরো কমিয়ে ৫০ ট্রাক করে নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিদিন যেসব ট্রাক পণ্য নিয়ে দেশে প্রবেশ করবে সেগুলো যেন ঐদিনই পণ্য খালাস করে ভারতে ফিরে যেতে পারে, কোনোভাবে বন্দরে অবস্থান না করে, সেজন্যই এসব সিদ্ধান্ত।

হিলি স্থলবন্দর কাস্টমস উপ-কমিশনার কামরুল ইসলাম সোমবার বলেন, ‘আমি শুনেছি ভারতীয় ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের আমদানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের চিঠি দিয়ে জানিয়েছে, তারা ৯ জুন থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে পণ্য রপ্তানি করবে না। তবে আমি চিঠি পাইনি। আমদানি-রপ্তানির বিষয়টি ব্যবসায়ীদের ওপর নির্ভর করে।’

– দিনাজপুর দর্পণ নিউজ ডেস্ক –